মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন ধোঁয়ায় ঢাকা। ইরান যুদ্ধ শুরু হয়েছে ঠিক এক মাস আগে, আর আজ ২৮ মার্চ ২০২৬-এ এসে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কিন্তু তেহরানও থেমে নেই। তারা সৌদি আরবে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে অন্তত ১২ জন মার্কিন সেনাকে আহত করেছে। এর মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।
ট্রাম্প প্রশাসন এখন দুই দিকে টানাটানি করছে। একদিকে তিনি বলছেন, “ইরান এখন চুক্তির জন্য কাকুতি-মিনতি করছে”, অন্যদিকে ন্যাটো মিত্রদের ‘কাওয়ার্ড’ বলে সমালোচনা করছেন কারণ তারা স্ট্রেইট অফ হরমুজ রক্ষায় সাহায্য করছে না। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের অর্ধেক তেল যায়। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম আকাশছোঁয়া হয়েছে, বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজার পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ইরাক যুদ্ধের চেয়েও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের অভিযান আরও কয়েক সপ্তাহ চলবে ইরানের সামরিক শক্তি পুরোপুরি ধ্বংস না করা পর্যন্ত। এদিকে হুথি বিদ্রোহীরা প্রথমবারের মতো ইসরায়েল লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সেটি আকাশেই ধ্বংস করেছে। লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় পাঁচজন প্যারামেডিক নিহত হয়েছে। এসব ঘটনা দেখে মনে হয়, মধ্যপ্রাচ্য সংকট আর শুধু দ্বিপাক্ষিক নয়, এটি এখন আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিয়েছে।
সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। লেবাননে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুহারা। ইরানে বেসামরিক লোকজনের মৃত্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনা বাড়ছে। ট্রাম্প কি যুদ্ধ থামাবেন নাকি আরও বাড়াবেন? এই প্রশ্ন এখন সারা বিশ্বের সামনে। (প্রায় ৭৫০ শব্দের বিস্তারিত বিশ্লেষণ চালিয়ে যেতে পারেন প্রয়োজনে।
TAGS: #ইরানযুদ্ধ #মধ্যপ্রাচ্যসংকট #ট্রাম্পইরান #হরমুজস্ট্রেইট #আন্তর্জাতিকসংবাদ #ইসরায়েলইরান #ইউএসইরানওয়ার