ইরান ও লেবাননে যুদ্ধবিরতির আভাস পাওয়া গেলেও গাজায় পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। ফিলিস্তিনিরা আশঙ্কায় আছেন — আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমিত হলে গাজায় ইসরায়েলি চাপ বাড়বে কি না।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সর্বশেষ অধিবেশনে উঠে এসেছে যে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ থামায়নি। গাজার শেষ জীবিত জিম্মির মরদেহ উদ্ধারের পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায় সুদৃঢ় করতে চাইছে।
ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ অনুযায়ী গাজা পুনর্গঠন ও নিরস্ত্রীকরণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু হামাস বলছে, অস্ত্র ছাড়ার আগে ইসরায়েলকে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করতে হবে এবং গাজার সীমান্ত খুলে দিতে হবে।
ইসরায়েল অন্যদিকে বলছে, হামাস সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত সেনা সরানো হবে না। এই পারস্পরিক শর্তের ফাঁদে আটকে গেছে গাজার ভবিষ্যৎ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত কোনো সমাধান আসবে না, বরং দীর্ঘ মধ্যস্থতা আলোচনাই একমাত্র পথ।
এদিকে ইসরায়েল প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার ফিলিস্তিনের রাজস্ব আটকে রেখেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ, যা মানবিক পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলছে।
Source Link: Al Jazeera — Gaza Future
🏷️ SEO Tags:
গাজা যুদ্ধবিরতি ২০২৬হামাস নিরস্ত্রীকরণফিলিস্তিন সংকটGaza ceasefire newsইসরায়েল ফিলিস্তিনIsrael Hamas 2026গাজা পুনর্গঠনবিশ্ব সংবাদ বাংলা